ডিজিটাল মার্কেটিং: বাংলাদেশে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার
প্রতিটি ব্যবসা এখন অনলাইনে কাস্টমার খুঁজছে, আর তাই ডিজিটাল মার্কেটারের চাহিদা আকাশছোঁয়া। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে কী কী সুযোগ পাবেন, জানুন এই লেখায়।

এখন যে কোনো পণ্য বা সেবা কিনতে গেলে আমরা প্রথমে অনলাইনে খুঁজি — ফেসবুকে পেজ দেখি, গুগলে রিভিউ চেক করি। ঠিক এই কারণেই ছোট দোকানদার থেকে বড় ব্র্যান্ড — সবাই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ওপর ঝুঁকছে। আর ব্যবসাগুলো যত অনলাইনে যাচ্ছে, দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটারের চাহিদাও তত বাড়ছে।
ডিজিটাল মার্কেটিং কয়েকটি বড় অংশে ভাগ করা যায়। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং-এ ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে ব্যবসার প্রমোশন শেখা হয়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও-তে শেখা হয় কীভাবে গুগলে সার্চ রেজাল্টে ওয়েবসাইটকে উপরে আনা যায়। এ ছাড়া আছে ইমেইল মার্কেটিং, কনটেন্ট মার্কেটিং এবং পেইড অ্যাডভার্টাইজিং।
এই স্কিলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর কাজের বৈচিত্র্য। চাইলে নিজের ব্যবসার পেজ নিজেই চালাতে পারেন, চাইলে ফ্রিল্যান্সিং করে বিদেশি ক্লায়েন্টের কাজ করতে পারেন, আবার দেশের এজেন্সি বা কোম্পানিতে চাকরিও করা যায়। মাস শেষে অ্যাড ক্যাম্পেইন চালিয়ে বিক্রি বাড়াতে পারা একজন মার্কেটারকে কোম্পানির অপরিহার্য করে তোলে।
ফেসবুক অ্যাড চালানো শেখাটা শুরুর জন্য দারুণ। টার্গেট অডিয়েন্স ঠিক করা, বাজেট সেট করা, পারফরম্যান্স মেজার করা — এই কাজগুলো শিখে অল্প সময়েই ক্লায়েন্ট পাওয়া শুরু হয়। দেশে প্রতিদিনই নতুন ই-কমার্স পেজ খুলছে, আর তারা সবাই খুঁজছে যিনি তাদের অ্যাড দক্ষভাবে চালিয়ে বিক্রি বাড়াতে পারবেন।
এসইও-ও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গুগলে প্রতিদিন কোটি কোটি সার্চ হয়, আর যে ওয়েবসাইট সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে থাকে, তার কাছেই কাস্টমার যায়। কীওয়ার্ড রিসার্চ, অন-পেজ ও অফ-পেজ এসইও শিখলে ওয়েবসাইটে দীর্ঘমেয়াদি ট্রাফিক আনার দক্ষতা তৈরি হয় — যা আন্তর্জাতিক মার্কেটেও সমান মূল্যবান।
শেখার জন্য আগে থেকে কম্পিউটার বা মার্কেটিংয়ের বড় জ্ঞান থাকা জরুরি নয়। একদম বেসিক থেকে ধাপে ধাপে শেখানো হয়, আর প্রতিটি বিষয় বাস্তব উদাহরণ দিয়ে প্র্যাক্টিস করানো হয়। ৩ থেকে ৬ মাসের নিয়মিত চর্চায় একজন শিক্ষার্থী নিজের প্রথম ক্লায়েন্ট পাওয়ার উপযোগী হয়ে ওঠেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স, ফি ও ব্যাচের সময় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কল করুন: +8801711102944।